মূল বিষয়বস্তুতে যান

ভূমি উন্নয়ন কর ক্যালকুলেটর

ভূমি উন্নয়ন কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী — অর্থবছর ১ জুলাই – ৩০ জুন

পরামর্শ: যদি আপনার খতিয়ানে অনেকগুলো দাগ থাকে, তবে একই শ্রেণির জমির ক্ষেত্রে সর্বমোট পরিমাণ একটি দাগ হিসেবে উল্লেখ করলেও কর একই হবে। তবে সঠিক হিসাবের জন্য প্রতিটি দাগ আলাদাভাবে যোগ করা উত্তম।
৩ বছরের বেশি বকেয়ায় সার্টিফিকেট মামলা হতে পারে
দাগ তথ্য (দাগ নং, শ্রেণি ও পরিমাণ দিন)
কর হারের তালিকা (ভূমি উন্নয়ন কর আইন ২০২৩)
অকৃষি জমির কর হার (টাকা/শতাংশ/বছর)
এলাকাআবাসিকবাণিজ্যিকশিল্প
ইউনিয়ন/পল্লী১০৪০৩০
উপজেলা/পৌরসভা১৫৬০৪০
জেলা সদর/সিটি কর্পোরেশন২০১০০৭৫
কৃষি জমির কর হার
২৫ বিঘা (৮.২৫ একর / ৮২৫ শতাংশ) বা তার কমসম্পূর্ণ মওকুফ (দাখিলা ফি ১০ টাকা)
২৫ বিঘার বেশি২ টাকা/শতাংশ (সম্পূর্ণ জমিতে)
বাণিজ্যিক কৃষি (চা, মৎস্য, খামার ইত্যাদি)২ টাকা/শতাংশ (পরিমাণ নির্বিশেষে)

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ভূমি উন্নয়ন কর (পূর্বে খাজনা নামে পরিচিত) হলো জমির মালিকানার বিপরীতে সরকারকে প্রদেয় বার্ষিক কর। ভূমি উন্নয়ন কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী এটি প্রতি অর্থবছরে (১ জুলাই – ৩০ জুন) পরিশোধ করতে হয়।

২৫ বিঘা (৮২৫ শতাংশ) বা তার কম কৃষি জমির মালিকের ভূমি উন্নয়ন কর সম্পূর্ণ মওকুফ। তবে মওকুফ দাখিলা সংগ্রহের জন্য বার্ষিক ১০ টাকা ফি দিতে হয়। ২৫ বিঘার বেশি হলে সম্পূর্ণ জমিতে প্রতি শতাংশ ২ টাকা হারে কর দিতে হয়।

বকেয়া করের উপর প্রতি বছর ৬.২৫% হারে জরিমানা ধার্য হয়। ৩ বছরের বেশি বকেয়া থাকলে সরকার সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করতে পারে, যার ফলে জমি নিলামে বিক্রি হতে পারে।

চা, কফি, রাবার, ফুল/ফলের বাগান, বাণিজ্যিক মৎস্য বা চিংড়ি চাষ, হাঁস-মুরগি বা গবাদি পশুর খামার — এসব বাণিজ্যিক কৃষি হিসেবে গণ্য। জমির পরিমাণ যা-ই হোক, প্রতি শতাংশ ২ টাকা হারে কর দিতে হবে।

২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ভূমি উন্নয়ন কর ইংরেজি অর্থবছর (১ জুলাই – ৩০ জুন) অনুযায়ী আদায় করা হয়। পূর্বে বাংলা বর্ষ (বৈশাখ-চৈত্র) অনুসরণ করা হতো।

প্রতিটি দাগের জমির শ্রেণি ও পরিমাণ অনুযায়ী আলাদাভাবে কর হিসাব হয় এবং সবগুলোর যোগফল হলো মোট ভূমি উন্নয়ন কর। একই শ্রেণির জমি একত্রে হিসাব করলেও ফলাফল একই হবে।