পর্চা (খতিয়ান) দিয়ে শুধু রেকর্ডীয় মালিকানা জানা যায় — অর্থাৎ সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী কার নামে জমিটি লিপিবদ্ধ আছে। কিন্তু এটি দিয়ে বর্তমান বাস্তব দখল নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। কারণ পর্চা তৈরির পর থেকে জমি হাতবদল, ওয়ারিশসূত্রে বণ্টন, বিক্রি, বা বেদখল হয়ে থাকতে পারে, যা পর্চায় হালনাগাদ হয় না।
বর্তমান দখল যাচাই করতে হলে যা করতে হবে:
১. সরেজমিন পরিদর্শন – জমিতে সরাসরি গিয়ে কে ভোগদখল করছে তা দেখা এবং স্থানীয় লোকজন/প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা।
২. হাল দাখিলা/খাজনা রশিদ – সাম্প্রতিক ভূমি উন্নয়ন কর কে পরিশোধ করছে তা দেখলে দখলদার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় (ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে সংগ্রহ করা যায়)।
৩. নামজারি (মিউটেশন) রেকর্ড – পর্চার পর জমিটি কারো নামে নামজারি হয়েছে কিনা, তা land.gov.bd বা স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে যাচাই করা যায়। নামজারি হলে বোঝা যায় মালিকানা হস্তান্তরিত হয়েছে।
৪. তহসিলদার/ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তদন্ত রিপোর্ট – আনুষ্ঠানিকভাবে দখল সংক্রান্ত তথ্য দরকার হলে স্থানীয় তহসিল অফিস থেকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন চাওয়া যায়।
৫. সাব-রেজিস্ট্রি অফিস – সাম্প্রতিক কোনো দলিল (বিক্রয়, দানপত্র ইত্যাদি) হয়েছে কিনা তা যাচাই করলে হাতবদলের তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
সদরপুর, ফরিদপুরের ক্ষেত্রে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পথ হলো — স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা সহকারী কমিশনার (ভূমি), সদরপুর অফিসে গিয়ে খতিয়ান নম্বর/দাগ নম্বর দিয়ে নামজারি ও দাখিলার সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করা, সাথে সরেজমিন পরিদর্শন করা।
শুধু পর্চা দিয়ে আইনগতভাবে নিশ্চিত দখলদারের তথ্য পাওয়া যাবে না — এটি শুধু একটি ঐতিহাসিক রেকর্ড নির্দেশ করে।
MN
Md Niaz Morshed
২০ দিন আগে
আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুনঃ https://lsfc.shawonweb.com/blog/blog-post-1787673557